মঙ্গলবার, দুপুর ২:৪১, ৩রা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৩ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি
ভোলা ট্রিবিউনের পক্ষ হতে সকলকে জানাই প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
জাতীয় | আন্তর্জাতিক | ভোলা সদর | দৌলতখান | বোরহানউদ্দিন | লালমোহন | তজুমুদ্দিন | চরফ্যাশন | মনপুরা | ভোলার ইতিহাস ঐতিহ্য | বিশেষ সাক্ষাৎকার | প্রবাসীদের কথা | পাঠক কলাম |

দঃদিঘলদী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে জনপ্রিয়তার শীর্ষে জনতার “হার্ট অব লাভ” কামাল হোসেন

আপডেট : অক্টোবর, ৬, ২০২১, ৬:০৯ অপরাহ্ণ

:

স্টাফ রিপোর্টারঃ মানুষকে বন্ধু বানানোর অপূর্ব দক্ষতা, মানুষের বিপদ সংকটময় মুহুর্তে পাশে গিয়ে দাঁড়ানো, শত্রুর সঙ্গেও ভালো আচরণ করা,সকল শ্রেণি পেশার মানুষের সুখে-দুখে নির্ভরযোগ্য নেতা হিসেবে দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়ে কাজ করার মতো নেতা রাজনৈতিক দলে পাওয়া খুবই দুস্কর। নানামুখী সমাজসেবায় নিজেকে সম্পৃক্ত করে ইউনিয়ন হতে পুরো জেলাব্যাপী নিজের পরিচ্ছন্ন ইমেজ সৃষ্টি করেছেন ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়ন আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা মো.কামাল হোসেন। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে তাঁর প্রতি জনগণের আকাঙ্খা,সমর্থন আর দীর্ঘদিনের দাবির সঙ্গে একাত্নতা পোষণ করেছেন ইউনিয়ন আ.লীগ ও অঙ্গসংগঠনের অধিকাংশ নেতা-কর্মীরা।
সরেজমিনে ইউনিয়ন আ.লীগের নেতা-কর্মীদের সূত্রে জানা গেছে, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী,আ.লীগের দুঃসময়ের কান্ডারি  সমাজসেবা আর জনসম্পৃক্ত কাজে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়ে জনগণের হৃদয় মন্দিরে জায়গা করে নিয়েছেন। বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ে নির্মম নির্যাতনের স্বীকার হওয়া এ নেতা তাঁর  অতীত ত্যাগ আর জনগণের সেবায় নিজের সর্বস্ব বিলিয়ে মানুষের আস্থা আর নির্ভরতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিনত হয়েছেন। জনগণের মাঝে বিচরণকারী হাস্যজ্বল কথামালার ডালি সাজিয়ে মানুষের সুখ-দুঃখকে বিনা সূতোর মালার মতো হৃদয়ে গেঁথে তিনি কাজ করেন। জনগণের উষ্ণ ভালোবাসায় সিক্ত হয়ে জনগণই “জনতার হার্ট অব লাভ” এ তাকে বরণ করে নেন।
ইউনিয়ন আ.লীগের নেতা-কর্মীরা জানিয়েছেন, বংশগত হতে আ.লীগ করা কামাল হোসেনের পিতা দঃদিঘলদী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কোষাধ্যক্ষ ছিলেন ও বর্তমানে ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।
ছাত্রলীগের কর্মী থেকে রাজনীতি শুরু করে ১৯৯৮ সালে বাংলাবাজার উপশহর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। বিএনপি জামায়াত জোট সরকারের সময়ে আ.লীগ করা যখন দুঃসাধ্য ছিলো ঠিক দলের সেই সেই চরম দুঃসময়ে  দঃদিঘলদী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। ওইসময় তিনি এইচএসসি পরীক্ষা দিতে পারেন নি। পরিবার নিয়ে পালিয়ে থেকে মানবেতর জীবন যাপন করেছেন। একাধিকবার বিএনপির সন্ত্রাসীদের হাতে শারীরিকভাবে নির্যাতিত হয়েছেন। সম্প্রতি ফেসবুকে এক আবেগঘন স্ট্যাটাস দিয়ে তিনি বলেন
আ.লীগ রাষ্ট্রক্ষমতায় টানা তের বছর, নিজের অর্থ সম্পদ বলতে কিছু নেই। পরিবারকে বঞ্চিত করে, জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে ভালোবেসে, প্রিয় নেত্রী শেখ হাসিনাকে ভালোবেসে নিজের যা কিছু ছিলো সব কিছু শেষ করে আজ আমি নিঃস্ব হয়ে গেছি। হতাশ মনে আবেগাপ্লুত হয়ে বলেছেন, প্রয়োজনে আমার কী সম্পদ আছে তা দুদক দিয়ে তদন্ত করা হউক৷ তাঁর এই স্ট্যাটাসটি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক ভাইরাল হয়ে নেতা-কর্মীদের মাঝে আলোচনার সৃষ্টি করে।
দলীয় কর্মীরা জানায়, কামাল হোসেন মানবিক মননশীল নেতা, দলীয় অসহায় কর্মীদের আস্থা ও নির্ভরতার জায়গা। এর বাইরে তিনি একজন শিক্ষানুরাগী মানুষ। একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেছেন। এসব প্রতিষ্ঠানে অসহায় দরিদ্র শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ক্রীড়া সামগ্রী ও মাদক নির্মূলে যুব সমাজকে ক্রীড়া মুখী রাখতে তার প্রশংসনীয় ভূমিকা রয়েছে। এলাকার ভূমিদস্যু,মাদক কারবারি,চাঁদাবাজ দলকে সাইনবোর্ড বানিয়ে অপকর্মে সম্পৃক্ত লোকদের বিরুদ্ধে সবসময়ই তাঁর প্রতিবাদী কণ্ঠ ও সোচ্চার অবস্থানে জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থন রয়েছে।
কামাল হোসেন বলেন,দলের দুঃসময় হতে শুরু করে আ.লীগের সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের নিয়ে দলীয় কর্মসূচিগুলোতে অর্থ ব্যায় করে নেতা কর্মীদের নিয়ে অংশগ্রহণ করে আমি নিঃস্ব হয়েছি। প্রিয় দল আ.লীগ, প্রিয় নেতা বঙ্গবন্ধু, প্রিয় নেত্রী মমতাময়ী নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা,প্রিয় অভিবাবক তোফায়েল আহমেদ আমার শেষ ঠিকানা। আমি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কে দেখেনি তার আদর্শকে মনেপ্রাণে ধারণ করে রাজনীতি করি। সফল রাষ্ট্রনায়ক,মমতাময়ী নেত্রী,মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সততা, সাহস, দেশপ্রেম আমার অনুপ্রেরণা। গত ইউনিয়ন পরিষদ নিবার্চনে আমার ব্যাপক জনপ্রিয়তা থাকা সত্ত্বেও দলীয় সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে যাই। আমার মমতাময়ী প্রিয় নেত্রী দঃ দিঘলদী ইউনিয়নে মনোনয়ন দেওয়ার আগে এ ইউনিয়নের জনগণের চাওয়া, নেতা-কর্মীদের আবেগ,অনুভূতি, বিগত সময়ে দলে আমার অবদান বিবেচনা করে আমার রাজনৈতিক,সামাজিক এবং সাংগঠনিক দক্ষতার নিশ্চয়ই মূল্যায়ন করবেন।

আপনার মন্তব্য এই বক্সে লিখুন

উপদেষ্টা: মো.নকীব তালুকদার
উপদেষ্টা সম্পাদক: আবুল কালাম আজাদ,সাংগঠনিক সম্পাদক,বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম(বিএমএসএফ) ঢাকা।
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-মো.জাহিদুল ইসলাম দুলাল,সভাপতি লালমোহন জার্নালিষ্ট ফোরাম,ভোলা।
সম্পাদক: মো.শিমুল চৌধুরী
প্রকাশক:আরিফুর রহমান(রাহাত)
অফিস: ৭২৪,১ম তলা প্রেসক্লাব ভবন,ভোলা।
লালমোহন অফিস: ১২ নং ওয়ার্ড লালমোহন পৌরসভা,ভোলা।
বার্তা কক্ষ ই-মেইল: [email protected]
মোবাইল: ০১৭১৫-২৬১৬৪৫

প্রতিষ্ঠাতা: মোঃ মহির উদ্দিন (মাহিম)

কারিগরি সহায়তা: Next Tech

শিরোনাম :
★★ লালমোহনে এ্যাসিল্যান্ডের নাম ভাঙিয়ে ব্যবসায়ীর টাকা নিয়ে গেছে প্রতারকচক্র ★★ লালমোহনে পাওনা টাকা চাওয়ার কারণে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ ★★ শেখ রাসেল শৈশব থেকেই দুরন্ত ও প্রাণবন্ত ছিলেন- এমপি শাওন ★★ লালমোহনে জাতীয় শেখ রাসেল দিবস পালিত ★★ জাতীর পিতার অবর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে- এমপি শাওন ★★ আইনি সেবার আড়ালে লালমোহনের রাশেদ মহুরীর বিয়ের নেশা! ★★ দুর্নীতির কবল থেকে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়কে রক্ষার দাবি ★★ যে কোন অপশক্তির বিরুদ্ধে সকলকে সজাগ থাকতে হবে- এমপি শাওন ★★ ভোলায়, পুলিশ ম্যারাথন দৌড়, ★★ ভোলায়, পুলিশ ম্যারাথন দৌড়