মঙ্গলবার, রাত ১২:০৩, ৩রা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৩ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি
ভোলা ট্রিবিউনের পক্ষ হতে সকলকে জানাই প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
জাতীয় | আন্তর্জাতিক | ভোলা সদর | দৌলতখান | বোরহানউদ্দিন | লালমোহন | তজুমুদ্দিন | চরফ্যাশন | মনপুরা | ভোলার ইতিহাস ঐতিহ্য | বিশেষ সাক্ষাৎকার | প্রবাসীদের কথা | পাঠক কলাম |

১৩ বছর আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় অর্থ সম্পদ কিছুই করতে পারিনি;দুদক দিয়ে তদন্ত করা হউক

আপডেট : সেপ্টেম্বর, ২৯, ২০২১, ১১:৪৭ পূর্বাহ্ণ

:

স্টাফ রিপোর্টারঃ আ.লীগ রাষ্ট্রক্ষমতায় তের বছর, নিজের অর্থ সম্পদ বলতে কিছু নেই। হতাশ মনে আবেগাপ্লুত হয়ে বলেছেন, প্রয়োজনে দুদক দিয়ে তদন্ত করা হউক৷ পরিবারকে বঞ্চিত করে নিজের যা কিছু ছিলো সব কিছু শেষ করে আজ আমি নিঃস্ব হয়ে গেছি। উপরোক্ত কথাগুলো বলেছেন তৃণমূলের কর্মীবান্ধব নেতা, ভোলা সদর আসনের সাংসদ সাবেক মন্ত্রী তোফায়েল আহমদ এমপির স্নেহধন্য  দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়ন আ.লীগের জনপ্রিয় সাধারণ সম্পাদক সাবেক ছাত্রনেতা মো.কামাল হোসেন। নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাসে তিনি এলাকার সাধারণ জনগণ,দলীয় নেতা-কর্মী ও আ.লীগের নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তাঁর স্ট্যাটাসটি নিম্মে তুলে ধরা হলোঃ-

পরিবারকে বঞ্চিত করে নিজের যা ছিল সব কিছু শেষ করে আজ আমি নিঃস্ব হয়ে গেছি। একমাত্র দলকে ভালো বেসে,প্রিয় নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাকে ভালো বেসে। আমি সর্বদা নিজেকে উৎসর্গ করেছি,সমাজের ভালো কাজের জন্য,অসহায় মানুষের জন্য। অবদান রেখেছি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় কাজে এমনকি অসহায় ছাত্রছাত্রীদের সহযোগিতায় হাত বাড়িয়ে তাঁদের পাশে ছিলাম। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদেরকে ক্রীড়া সামগ্রী দিয়েছি।

মাদক নির্মূল করতে যুব  সমাজকে সব সময় বিভিন্ন খেলা ধূলার মধ্যে রাখছি। আমি সব সময় কঠোর ও প্রতিবাদী ছিলাম অন্যায়ের বিরুদ্ধে,মাদকের বিরুদ্ধে, সুদ ঘুষের বিরুদ্ধে,সমাজের মানুষের প্রতি নির্যাতন কারীদের বিরুদ্ধে, জোর জুলুমবাজ ও দখলদারদের বিরুদ্ধে। আমি কখনো অন্যায় কাজ করিনি মাদক সেবন, জুয়া খেলা, সুদ ঘুষ সহ সমাজের সকল ধরনের খারাপ কাজ আমাকে ঘ্রাস করতে পারেনি। আামার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা (বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন) ও ভোলা সদর দঃদিঘলদী ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের কোষাধ্যক্ষ ছিল ও বর্তমানে ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক।

আমি আওয়ামীলীগ পরিবারের সদস্য। ছাত্রলীগের কর্মী থেকে আমার রাজনীতি ১৯৯১ সাল হতে শুরু, ১৯৯৮ সালে বাংলাবজার উপশহর ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলাম। ২০০৪ সালে দঃদিঘলদী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করি। পরে যুবলীগের কর্মী হিসাবে কিছুদিন থাকার পর বর্তমান সহ পর-পর দুইবার ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে আছি। আমি ২০০১ সালে নির্বাচনের পর ২০০২ সালে এইচ,এসসি পরীক্ষার্থী ছিলাম,কিন্তু আমাকে বিএনপির ক্যাডাররা পরীক্ষা দিতে দেয়নি। যতবার পরীক্ষা দিয়েছি ততবার বাধা দিয়েছে, আমাকে বার বার আটক করে নির্যাতন করে।

বিএনপির ভয়ে নিজ জন্মভূমিতে থাকতে পারিনি পালিয়ে থাকতে হয়ছে পরিবার নিয়ে। অনেক কষ্ট করে আজ আমি সর্বোচ্চ শিক্ষা অর্জন করি।আমি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কে দেখেনি তার আদর্শকে বুকে লালন পালন করে, জননেত্রী শেখ হাসিনার সততা সাহস দেশের প্রতি ভালোবাসা ও তার মমতাকে বুকে ধারন করে আল্লাহর বিধান অনুযায়ী নিজেকে তৈরি করে চলতেছি।গত ইউনিয়ন পরিষদ নিবার্চনে আমার ব্যাপক জনপ্রিয়তা থাকা সত্বেও আমি নির্বাচন থেকে সরে যাই। বঙ্গবন্ধুর কন্যা আমার প্রানের নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এবং প্রিয় নেতা জনাব তোফায়েল আহমেদ ও ভোলা জেলা এবং সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সিদ্ধান্তকে শ্রদ্ধা এবং সম্মান দেখিয়ে।

আমার রাজনৈতিক সামাজিক এবং সাংগঠনিক দক্ষতাকে একদিন না একদিন আমার নেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা প্রিয় দল আমাকে সাংগঠনিক দক্ষতার জন্য মূল্যায়ণ করবে।তৃণমূল থেকে আমি সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের সকল নেতা-কর্মীদের নিয়ে রাজনৈতিক ও দলীয় যত প্রগ্রাম হয়েছে আমি নিজ অর্থ ব্যায় করে হাজার-হাজার নেতা কর্মীদের নিয়ে অংশগ্রহণ করছি।এমন কোন অপকর্ম করিনি বা এমন কোন কাজ করিনি যা দলের ক্ষতি হয়েছে। সব সময় দলকে চাঙ্গা রাখতে গ্রাম অঞ্চলের সাধারণ নেতা কর্মীদের সাথে চায়ের দোকানে পার্টি অফিসে দলের ও প্রিয় নেত্রীর প্রচার ও প্রচারণা চালিয়ে গেছি। পাশাপাশি প্রচার ও প্রচারণা চালিয়েছি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।

আমি আশা করি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও প্রিয় দল আওয়ামিলীগ  সঠিক তদন্তের মাধ্যমে আমাকে যথাযথ মূল্যায়ন করবে এবং পাশাপাশি এবার নির্বাচনে বিগত বছরে দলের জন্য কার কতটুকু অবদান, কে ইউনিয়নের নেতা কর্মীদের সাথে ভালো ব্যাবহার করে দলীয় সকল সুযোগ সুবিধা দিয়ে দলের সকল কার্যক্রম চালিয়েছে।নত্যাগী নেতাদের খোজ খবর রাখছে, বিশেষ করে গরীবের হক আত্মসাত ও দুর্নীতি, সুূদ, ঘুষ জোর জুলুমবাজ,জমি দখলদার,মাদক ব্যাবসায়ীদের লালিত পালিত কারী,গাজা ও ইয়াবা সেবনকারীকে নমিনেশন না দিয়ে সৎ যোগ্য  ও ত্যাগি লোককে নমিনেশন দেয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে আমার ও তৃণমূল জনগনের দাবী।

পরিশেষে প্রিয় নেতার সুস্থতা কামনা করছি। মহান আল্লাহ আমার প্রিয় নেত্রী সফল প্রধান মন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুস্থতার সহিত দীর্ঘ হায়াত দান করুক। (আমিন) জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।

আপনার মন্তব্য এই বক্সে লিখুন

উপদেষ্টা: মো.নকীব তালুকদার
উপদেষ্টা সম্পাদক: আবুল কালাম আজাদ,সাংগঠনিক সম্পাদক,বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম(বিএমএসএফ) ঢাকা।
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-মো.জাহিদুল ইসলাম দুলাল,সভাপতি লালমোহন জার্নালিষ্ট ফোরাম,ভোলা।
সম্পাদক: মো.শিমুল চৌধুরী
প্রকাশক:আরিফুর রহমান(রাহাত)
অফিস: ৭২৪,১ম তলা প্রেসক্লাব ভবন,ভোলা।
লালমোহন অফিস: ১২ নং ওয়ার্ড লালমোহন পৌরসভা,ভোলা।
বার্তা কক্ষ ই-মেইল: [email protected]
মোবাইল: ০১৭১৫-২৬১৬৪৫

প্রতিষ্ঠাতা: মোঃ মহির উদ্দিন (মাহিম)

কারিগরি সহায়তা: Next Tech

শিরোনাম :
★★ লালমোহনে এ্যাসিল্যান্ডের নাম ভাঙিয়ে ব্যবসায়ীর টাকা নিয়ে গেছে প্রতারকচক্র ★★ লালমোহনে পাওনা টাকা চাওয়ার কারণে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ ★★ শেখ রাসেল শৈশব থেকেই দুরন্ত ও প্রাণবন্ত ছিলেন- এমপি শাওন ★★ লালমোহনে জাতীয় শেখ রাসেল দিবস পালিত ★★ জাতীর পিতার অবর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে- এমপি শাওন ★★ আইনি সেবার আড়ালে লালমোহনের রাশেদ মহুরীর বিয়ের নেশা! ★★ দুর্নীতির কবল থেকে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়কে রক্ষার দাবি ★★ যে কোন অপশক্তির বিরুদ্ধে সকলকে সজাগ থাকতে হবে- এমপি শাওন ★★ ভোলায়, পুলিশ ম্যারাথন দৌড়, ★★ ভোলায়, পুলিশ ম্যারাথন দৌড়