শুক্রবার, রাত ৪:৫৯, ২২শে শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২৭শে জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি
ভোলা ট্রিবিউনের পক্ষ হতে সকলকে জানাই প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা।
জাতীয় | আন্তর্জাতিক | ভোলা সদর | দৌলতখান | বোরহানউদ্দিন | লালমোহন | তজুমুদ্দিন | চরফ্যাশন | মনপুরা | ভোলার ইতিহাস ঐতিহ্য | বিশেষ সাক্ষাৎকার | প্রবাসীদের কথা | পাঠক কলাম |

ভোলায় একাধিক জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে প্রতারণা, নারীকে জেল হাজতে প্রেরণ

আপডেট : জুন, ১২, ২০২১, ২:০৪ অপরাহ্ণ

:

ভোলা প্রতিনিধি।।
ভোলায় একাধিক জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে প্রতারণা করার অভিযোগে বেগম নূর নাহার নামের এক নারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার নূর নাহার সদর উপজেলার ইলিশা ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের কালুপুর গ্রামের রফিকুল ইসলামের মেয়ে।
শুক্রবার রাতে ভোলা পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের সাগর বেকারি এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত নূর নাহারকে আজ শনিবার সকালে আদালতের মাধ্যম জেল হাজতে প্রেরন করা হয়েছে।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৯জুন) সদর উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. মিজানুর রহমান খান নূর নাহারের বিরুদ্ধে ভোলা সদর থানায় একাধিক জাতীয় পরিচয়পত্র গ্রহন করায় জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন আইন-২০১০ এর ১৪ ধারা অনুযায়ী মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ কাজল ইসলাম জানান, আটক নূর নাহার একাধিক জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করায় তার বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাচন অফিসার একটি মামলা দায়ের করেন। মামলার আলোকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
তিনি আরো জানান, নূর নাহার ২০১২ সালে প্রথম জাতীয় পরিচয়পত্র করেন। সেখানে নিজের নাম নূর নাহার, পিতা- রফিকুল ইসলাম,  মাতা- হনুফা বিবি, স্বামী- মো. মহিউদ্দিন,  জন্ম তারিখ- ০১/০১/১৯৯১ইং, পেশা- গৃহিণী, ঠিকানা- কালুপুর, ১নং ওয়ার্ড, ইলিশা ইউনিয়ন উল্লেখ করেন। দ্বিতীয় বার ২০১৭ সালে একই ছবি ব্যবহার করে নাম ঠিকানা পরিবর্তন করে আবারও জাতীয় পরিচয়পত্র করেন। সেখানে নিজের নাম উল্লেখ করেন তামান্না আকতার, পিতা- শামসুল হক দুলাল, মাতা- মনোয়ারা বেগম, জন্ম তারিখ- ১০/০৫/১৯৯৭ইং, পেশা- ছাত্র/ছাত্রী, ঠিকানা- ভোলা পৌরসভা ৮নং ওয়ার্ড, পশ্চিম উকিল পাড়া,  ভোলা সদর। নূর নাহারের বিরুদ্ধে একাধিক জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে একাধিক বিয়ে করে প্রতারণা করেছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এর আগে ২০২০ সালের ২৬ অক্টোবর তার পূর্বের স্বামী মো. মহিউদ্দিন নূর নাহারের বিরুদ্ধে প্রতারণা করার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেন।
সে সময় মহিউদ্দিন জানান,  ২০০৮ সালে নূর নাহারের সাথে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর স্ত্রীর অসালিন চলাফেরা ও একাধিক পরকীয়ায় জড়িয়ে পরায় ২০১১ সালে তার সাথে ডিভোর্স হয়ে যায়। এর পরও নূর নাহার তাকে ১০টি মিথ্যা মামলা দিয়ে প্রায় ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়। এর পর নূর নাহার তামান্না আকতার নামের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে অন্য একটি বিয়ে করে।
মামলার বাদী উপজেলা নির্বাচন অফিসার মো. মিজানুর রহমান খান জানান, এই নারী তথ্য গোপন করে দুটি জাতীয় পরিচয়পত্র গ্রহণ করেন। যা আইন পরিপন্থী। সামাজিক যোগাযোগ ও গণমাধ্যমে এই নারীর সম্পর্কে অবহিত হওয়ার পর ভোটার তালিকা আইন ২০১০ এর ১৪ এবং ১৫ ধারায় মামলা তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
ভোলা সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. এনায়েত হোসেন গ্রেফতারের তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, দুইটি জাতীয় পরিচয়পত্র গ্রহণের দায়ে গ্রেফতার নূর নাহারকে আজ শনিবার সকালে আদালতের মাধ্যম জেলহাজতে প্রেরন করা হয়েছে।

আপনার মন্তব্য এই বক্সে লিখুন

উপদেষ্টা: মো.নকীব তালুকদার
উপদেষ্টা সম্পাদক: আবুল কালাম আজাদ,সাংগঠনিক সম্পাদক,বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম(বিএমএসএফ) ঢাকা।
ব্যবস্থাপনা সম্পাদক-মো.জাহিদুল ইসলাম দুলাল,সভাপতি লালমোহন জার্নালিষ্ট ফোরাম,ভোলা।
সম্পাদক: মো.শিমুল চৌধুরী
প্রকাশক:আরিফুর রহমান(রাহাত)
অফিস: ৭২৪,১ম তলা প্রেসক্লাব ভবন,ভোলা।
লালমোহন অফিস: ১২ নং ওয়ার্ড লালমোহন পৌরসভা,ভোলা।
বার্তা কক্ষ ই-মেইল: [email protected]
মোবাইল: ০১৭১৫-২৬১৬৪৫

প্রতিষ্ঠাতা: মোঃ মহির উদ্দিন (মাহিম)

কারিগরি সহায়তা: Next Tech

শিরোনাম :
★★ লালমোহনে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ১জনকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ ★★ শেখ কামাল সামাজিক কর্মে তরুণদের নেতৃত্ব দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিলেন- এমপি শাওন ★★ শহীদ শেখ কামাল ছিলেন বাংলাদেশের আধুনিক ক্রীড়া ও সংস্কৃতি আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ-এমপি শাওন ★★ স্কুলের মাঠে ব্লেট ও কাঁচ ভাঙা দিয়ে খেলাধুলায় বাঁধা! ★★ তরিকুল আলম চৌধুরীর সহধর্মিণীর মৃত্যুতে হলি ফ্যামিলি হাসপাতালের শোক ★★ ভোলায়, ২৪ ঘন্টায় করোনায় আরও ১৬৫ জন আক্রান্ত ★★ নারীনেত্রী হেলেনার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা করছেন তুহিন খন্দকার ★★ লালমোহনে সাংবাদিকদের রোগ মুক্তি কামনা করে দোয়া মোনাজাত অনুষ্ঠিত ★★ লালমোহনে প্রতিপক্ষের হামলা ২০জনকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ ★★ ভোলায় স্বাস্থ্যবিধি না মানায় ৩২ জনের বিরুদ্ধে মামলা, ৩২ জনকে ২২ হাজার ৭০০ টাকা জরিমানা